
ইয়াছিন চৌধুরী, নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও সাবেক দূরদর্শী রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ব্যাপক আয়োজনে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং ১১৭ জন দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। আজ শনিবার (৩০ মে ২০২৬) সকাল ১০টায় নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপি ও এর সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এই স্মরণসভা ও মানবিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এ কে এম খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি এম এ হান্নান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি এম এ হান্নান বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান রূপকার। তাঁর দেশপ্রেম ও সততার আদর্শ আজও দেশের কোটি কোটি মানুষের মাঝে মূল প্রেরণার উৎস হয়ে আছে। তাঁরই সুযোগ্য উত্তরসূরি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সুদূরপ্রসারী নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন।”
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কেএম বশির উদ্দিন তুহিনের অত্যন্ত চমৎকার ও সুশৃঙ্খল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন—উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আজিজুর রহমান চৌধুরী এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আলী আজম চৌধুরী।
এছাড়াও তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন—উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন, কুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নাছির উদ্দিন ভূঁইয়া, ধরমন্ডল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (২) বশির উদ্দিন চৌধুরী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আরাফাত উল্লাহ, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক দুলাল মেম্বার, চাতলপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী সোহরাব মোল্লা, নাসিরনগর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আবু সারোয়ার, সাধারণ সম্পাদক ওবায়েদুল হক, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজদু মেম্বার, ভলাকুট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী বরকত উল্লাহ, গোয়ালনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, কুন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ জিল্লুর রহমান, ফান্দাউক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সার্জেন্ট সফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইয়ার খান, বুড়িশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সফিল মেম্বার, গুনিয়াউক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন চেয়ারম্যান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামসুল হক লিটন, গোকর্ণ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফারুক মিয়া, পূর্বভাগ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ জজ মিয়া, হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, চাপরতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ সোহেল আবদাল, ধরমন্ডল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদির, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হান্নান।
অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন—উপজেলা যুবদলের সভাপতি জামাল আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাদির সেন্টু, সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন মাহমুদ, সাবেক সদস্য সচিব নাসির রহমান, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি এমরান মিয়া, যুবদল নেতা আলী আশফাক রবিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী সোহাগ, সদস্য সচিব আশিকুর রহমান চৌধুরী পনি, যৌথ আহ্বায়ক তাকিউল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম ভূঁইয়া, কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব খাইরুল বাসার রনি, উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী এবং জিয়া পরিষদ নেতা কে এম মহিউদ্দিনসহ উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অন্যান্য অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক সক্রিয় নেতাকর্মী।
স্মরণসভা ও আলোচনা সভা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত ও জান্নাত কামনা করে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত শেষে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এলাকার চিহ্নিত ১১৭ জন দুঃস্থ, অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের হাতে চাল, ডালসহ জরুরি খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেন।
