প্রাণাধিক প্রিয়নবীর শানে ‘মোস্তফা’ শব্দ ব্যবহার নিয়ে আল্লামা ইমাম হায়াতের ব্যাখ্যা

প্রকাশক: Dainik Jagroto Matrivumi
প্রকাশ: 19 hours ago

মঈনউদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন ও বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা ইমাম হায়াত তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শানে ‘মোস্তফা’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে একটি তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, অনেকে অজ্ঞতাবশত কিংবা ভালোবেসে প্রিয়নবীর শানে ‘মোস্তফা’ শব্দটি ব্যবহার করেন; তবে নিয়ত ভালো থাকলেও শানে রেসালাতের হাকীকত বা প্রকৃত মর্যাদার নিরিখে এটি সঠিক শব্দ নয়।

আল্লামা ইমাম হায়াতের মতে, ‘মোস্তফা’ শব্দের অর্থ হলো বাছাইকৃত, মনোনীত বা সিলেক্টেড। তিনি দাবি করেন, এই অর্থটি ঈমানি চেতনার সাথে অসংগতিপূর্ণ। তাঁর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, আমাদের প্রিয়নবী (সা.) অনেক অপশনের মধ্য থেকে বাছাইকৃত কোনো ব্যক্তিত্ব নন। বরং তিনি আল্লাহ তাআলার জাতে পাকের অতুলনীয় নূর, যিনি সৃষ্টিগতভাবেই সকল নবী-রাসূলগণের নবুওয়াত ও কামালাতের মূল উৎস।

তিনি আরও বলেন, কোনো চিরন্তন বা প্রাকৃতিক সত্য কখনো বাছাইকৃত হয় না। উদাহরণস্বরূপ তিনি বলেন, এমনকি নিজের পিতা-মাতাকেও কেউ চাইলে বাছাই বা মনোনীত করতে পারে না। আল্লামা ইমাম হায়াত জোর দিয়ে বলেন, প্রিয়নবী (সা.) সকল সৃষ্টির অস্তিত্বের উৎস এবং সময় ও স্থান সৃষ্টির আগে থেকেই আল্লাহ তাআলার নূর, রহমত ও রেসালাত হিসেবে বিরাজমান ছিলেন। তিনি বাছাইয়ের ঊর্ধ্বে, অদ্বিতীয় এবং অতুলনীয়। তিনি আল্লাহ তাআলার সকল গুণ ও মহাসত্তার সাথে চির যুক্ত ও চির একাকার।

ইমাম হায়াত মনে করেন, প্রিয়নবীকে ‘বাছাইকৃত’ বা ‘মনোনীত’ বলা তাঁর শানে রেসালাতের প্রকৃত হাকীকত বুঝতে অক্ষমতারই নামান্তর।

  • আল্লামা ইমাম হায়াত
  • প্রিয়নবী (সা.)
  • বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব
  • বিশ্ব সুন্নী আন্দোলন