বাংলাদেশর ভূমিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশন! আবুল কাশেম ফজলুল হক সাহেব শঙ্কিত প্রকাশ করেছেন

প্রকাশক: Dainik Jagroto Matrivumi
প্রকাশ: 8 months ago

মুহাম্মদ এরশাদুল ইসলাম

গতকাল ১৮ ই জুলাই ২০২৫ শুক্রবার) — সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর “আবুল কাশেম ফজলুল হক” সাহেব একটি পোস্ট করেছেন যেখানে তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন:

ভারত-মায়ানমার-ইসরায়েল মত যেসব ভূখন্ডে
সামষ্টিকভাবে মুসলিমরা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার, সেসব জায়গায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন খবরদারি করার কোন খবর নেই। অথচ মুসলিম শাসিত বিভিন্ন ভূখন্ডে এরাই ছড়ি ঘোরানোর সুযোগ খোঁজে।

এদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশন এদেশে কার্যালয় খোলার সমস্যাগুলো যেখানে:-

১.জাতিসংঘের মানবাধিকার–সম্পর্কিত নীতিতে সমকামীদের অধিকারের বিষয়টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত। কিন্তু বাংলাদেশ মুসলিম-অধ্যুষিত রাষ্ট্র হওয়ায় এ দেশে সমকামিতা শুধু ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে নিষিদ্ধই নয়, রাষ্ট্রীয় আইনেও দণ্ডনীয় অপরাধ।

উপরন্তু জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশন এর এদেশের কার্যালয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সমকামী দূত নিজের সাথে নিজের সমকামী সঙ্গী নিজে আসার মত ন্যাকারজনক প্রস্তাবও দিয়েছে।

২.উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনে তাদের নারী-পুরুষ সমানাধিকার ও সর্বজনীন যৌনশিক্ষার ইস্যুগুলো ইসলামের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

৩.পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে খ্রিষ্টান রাজ্য বানানোর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রও উদ্বেগের বিষয়। সন্ত্রাসীরা পার্বত্য চট্টগ্রামে যে সন্ত্রাসবাদ এ অশান্তির দাবানল সৃষ্টি করেছে, তা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। এমনকি পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩৮ হাজার বাঙালি হত্যার দায় অবশ্যই সন্ত্রাসীদের নিতে হবে। কিন্তু জাতিসংঘ তাদের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের পক্ষে বক্তব্য–বিবৃতি দিয়েছে।

জাতিসংঘ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় নিরপেক্ষ ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পেরেছে এমন কোনো প্রমাণ নাই। তারা সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদীর স্বার্থরক্ষা করছে। মানুষের মধ্যে এই শঙ্কাই আছে। তারা মানবাধিকার নয়, ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্যে আসতে চায় কী না সেটাই এখন প্রশ্ন।

মূলত: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগ কিছুই করতে না পারা জাতিসংঘ এদেশে
পশ্চিমা নীতি বাস্তবায়নের এজেন্ডা নিয়েই আসছে।

সম্প্রতি প্রকাশ হওয়া বিতর্কিত “নারী সংস্কার কমিশন” ও এদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশন এর কার্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত একই সূত্রে গাঁথা। সংক্ষিপ্ত।

  • বাংলাদেশর ভূমিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশন! আবুল কাশেম ফজলুল হক সাহেব শঙ্কিত প্রকাশ করেছেন