ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সরাইলে, মলাইশ থেকে শাহজাদাপু রাস্তার নির্মাণ কাজে দূর্নীতি

প্রকাশক: Dainik Jagroto Matrivumi JM Television
প্রকাশ: 2 months ago

উপজেলা প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার ‘কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও চাঁদপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় শাহজাদাপুরের রাস্তার কাজের দূর্নীতি, মলাইশ থেকে শাহজাদাপুর রাস্তায় নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে রাস্তা তৈরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় নিম্নমানের ইটের কোয়া, ভিটের সাদা বালি কম দামের সিমেন্ট ব্যবহার করে ৪ ইঞ্চির জায়গায় ৩ ইঞ্চি আরসিসি করা হচ্ছে।প্রকল্পটি বিগত ০৪-০৫-২০২১খ্রি. তারিখে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়, যার বাস্তবায়ন মেয়াদকাল ১ জুলাই ২০২১ হতে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত। জানা যায় প্রকল্পের কাজ শুরু হলে নামেমাত্র মাটি ভরাট করে রাস্তার কাজ ফেলে রাখে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। পরবর্তীতে স্হানীয় বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার হস্তক্ষেপে প্রকল্প স্টিয়ারিং সভার সুপারিশের আলোকে এবং বর্তমানে রেট সিডিউল পরিবর্তন, নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপনের লক্ষে কিছু স্কীমের দৈর্ঘ্য হ্রাস/বৃদ্ধি, বাস্তবতার নিরিখে প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত জীমসমূহের ব্যয় হ্রাস/বৃদ্ধি, Geocrete দ্বারা সড়ক উন্নয়ন পাইলটিং ইত্যাদি কারণে প্রকল্পের সংশোধিত ডিপিপি প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত সংশোধিত ডিপিপি’র প্রাঞ্জলিত ব্যয় ২৫৩৯৯৯.৭০ লক্ষ (দুই হাজার পাঁচশত উনচল্লিশ কোটি নিরানব্বই লক্ষ সত্তর হাজার) টাকা এবং মেয়াদকাল ১ জুলাই ২০২১ হতে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বর্ধিত করে পুনরায় পুরোদমে কাজ চলমান। এলাকা ঘুরে দেখা যায় নিম্নমানের ইটের কোয়া, ভিটের সাদা বালি ব্যবহার হচ্ছে, তাছাড়া ইট বালি মিক্সার মেশিন নিয়েও ভিটের সাদা বালি কম দামের সিমেন্ট ,,,,,,, অন্যদিকে রাস্তার স্থায়ীত্বের জন্য ৪ইঞ্চি আর সি সি করার কথা থাকলেও ৩ ইঞ্চি করে আর সিসি ঢালাই দেওয়া হচ্ছে। নিম্নমানের কাজ সম্পর্কে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার ( অ: দা:)পৃত্যুল ভৌমিক এর সাথে কথা বললে তিনি উপসহকারী প্রকৌশলী,,,, সাথে কথা বলতে বলেন৷ পিডি সিরাজুল ইসলামের কাছে ইটের কোয়া, ভিটের সাদা বালি ও ভিডিও দেখিয়ে জানতে চাইলেন তিনি প্রতিবেদককে বলেন, এমন ইট খোয়া, ভিটের সাদা বালি দিয়ে রাস্তায় নির্মাণ কাজে ব্যবহার করার সুযোগ নেই। আপনারা নিউজ করুন, তাছাড়া আমি খোজ নিয়ে দেখব৷সাধারণ জনগণের কাছে জানতে চাইলে, তারা বলেন আজ পযন্ত কেউ উচ্চ মহলে কোনো লোকজন এসে রাস্তার কাজের তদারকি করেন নাই। সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন? সত্যি প্রকল্পের লোকজন এই রাস্তার কাজের তদারকি করেন না কেন? না কারো কাছে বিক্রি হয় গেছে।