

লামিয়া আক্তার (বিনোদন ডেস্ক)
ঢাকাই চলচ্চিত্রের সোনালী অধ্যায়ের এক অবিনশ্বর নাম শাবনূর। স্নিগ্ধ রূপ আর সাবলীল অভিনয়ের গুণে ভক্তরা তাকে ভালোবেসে ডাকেন ‘শিশিরস্নাত’ অভিনেত্রী। বর্তমানে রূপালী পর্দা থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও তার জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। আজও সব প্রজন্মের দর্শকের কাছে তিনি এক উজ্জ্বল ধ্রুবতারা। আজ ১৭ ডিসেম্বর, দুই বাংলার জনপ্রিয় এই তারকার ৪৭তম জন্মদিন।যশোর থেকে বড় পর্দা: শুরুর গল্প ১৯৭৯ সালের এই দিনে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন শাবনূর। তার পারিবারিক নাম ছিল নূপুর। স্বনামধন্য পরিচালক এহতেশামের জহুরত জহুরত হিসেবে ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর ‘চাঁদনী রাতে’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। তবে সাফল্যের দেখা পান ১৯৯৪ সালে জহিরুল হক পরিচালিত ‘তুমি আমার’ ছবির মাধ্যমে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন বাংলা চলচ্চিত্রের এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী নাম হিসেবে।কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা নিজের দীর্ঘ পথচলা নিয়ে শাবনূর সবসময়ই বিনয়ী। জন্মদিনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে তিনি সৃষ্টিকর্তার প্রতি শুকরিয়া জানিয়ে বলেন, “আল্লাহর অশেষ রহমতে চলচ্চিত্রে এখনো আমি যথেষ্ট সম্মান নিয়ে টিকে আছি। আমার এই বর্ণিল যাত্রায় প্রতিটি সিনেমার পরিচালক, প্রযোজক, সিনেমাটোগ্রাফার, কাহিনিকার থেকে শুরু করে প্রোডাকশন বয় ও ট্রলিম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সবার অবদান রয়েছে। আমি সবার কাছে চিরকৃতজ্ঞ।”অ্লান উজ্জ্বলতা শাবনূর কেবল একজন অভিনেত্রী নন, তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের একটি প্রতিষ্ঠান। তার অভিনয় শৈলী এবং অভিব্যক্তি এখনো নবীন অভিনেত্রীদের জন্য পাঠ্য। জীবনের ৪৭তম বছরে পা দিয়েও তিনি কোটি ভক্তের হৃদয়ে সমানভাবে জনপ্রিয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আজ সকাল থেকেই ভক্ত ও সহকর্মীদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন এই গুণী শিল্পী।